শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ প্রকাশিত জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধ নিয়ে তখন কোনো মুক্তিযোদ্ধা আপত্তি তোলেননি। তার মতে, এতে বোঝা যায় জিয়ার ভূমিকা সে সময় স্বীকৃত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার অবদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাসকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করাও ভুল, আবার অতিরিক্ত অতীতমুখী হয়ে থাকাও ক্ষতিকর। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোনোর ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে সতর্ক করেন, গবেষণা বা সমালোচনার নামে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করা ঠিক নয়।
দেশ গঠনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের চাহিদা অনেক হলেও সম্পদ সীমিত। তাই বিভাজন না বাড়িয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলেই একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামে দলটি ধারাবাহিকভাবে লড়াই চালিয়ে গেছে এবং কখনো আপস করেনি। তিনি নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, তা সম্ভব হবে শক্ত নেতৃত্ব ও ঐক্যের মাধ্যমে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। অতীতে যারা পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ছিল, তারা এখনো বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।