বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মে দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি নারী ও পুরুষ শ্রমিকের সমান মজুরি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠাকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার বিভিন্ন কনভেনশন অনুস্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রমমান উন্নয়নে অগ্রগতি অর্জন করেছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতন, বোনাসসহ প্রাপ্য সুবিধা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মে দিবস কেবল একটি দিবস নয়, এটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসের প্রতীক। যারা শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান।
তারেক রহমান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শ্রমিকরা। শিল্প, কৃষি ও অবকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই তাদের অবদান অপরিহার্য। তাই তাদের কল্যাণে শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি অতীত রাজনৈতিক নেতৃত্বের শ্রমনীতি ও শ্রমিককল্যাণমূলক পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে শ্রমিক কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোতেও প্রভাব রাখছে।
সবশেষে তিনি বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা গেলে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আরও উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।