মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হামলাগুলো ছিল ‘আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ’। একই সঙ্গে তারা ইরানের কর্মকাণ্ডকে ‘অযৌক্তিক আগ্রাসন’ বলেও উল্লেখ করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ জানায়, প্রথম দফার হামলার কয়েক ঘণ্টা পর জাস্ক ও বন্দর আব্বাসে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে কেশম দ্বীপেও বিস্ফোরণের খবর আসে। আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যম এটিকে তৃতীয় দফার হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালিতে টহলরত একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ইরান ভূপাতিত করেছে এবং এর জবাব দেওয়া হবে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াকে ‘খুবই শক্তিশালী’ বলে উল্লেখ করেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, হরমুজ প্রণালির আশপাশে ইরানের কয়েকটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, চলমান আলোচনা থামানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং সতর্কবার্তা হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা বা হুমকি জবাব ছাড়া থাকবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বিদেশি বাহিনীকে অঞ্চল ত্যাগেরও সতর্কবার্তা দেন।