তেহরানের বাইরে কোম, ইসফাহান, মাশহাদ, বান্দার আব্বাসসহ বহু শহরে ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন। কোথাও কোথাও সরকারি ভবন ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ জাতীয় প্রতীক ও পতাকা ছিঁড়ে ফেলার মধ্য দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
এ পরিস্থিতিতে খামেনি সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডও জানিয়েছে, সহিংসতা আর সহ্য করা হবে না। এর পরই বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক অভিযান শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকের বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ বহু তরুণের মরদেহ আনা হয়।
যদিও এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি, তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এরই মধ্যে ইরানের বিচার বিভাগ নাশকতা ও সংঘর্ষে জড়িতদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। তবে তেহরান বলছে, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।