আইসিসির সদস্য দেশগুলোর ভোটের মাধ্যমে করিম খানের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদালতের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী ব্যুরোর দায়িত্বে থাকা কূটনীতিকরা গত মাসে অভিযোগ করেছিলেন, ব্রিটিশ ব্যারিস্টার করিম খান আইসিসির এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে অনৈতিক যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন। পরে তাকে পদ থেকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়।
শুক্রবার আইসিসির ১২৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে অধিকাংশই ওই সুপারিশের পক্ষে ভোট দেয়। আদালতের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পাইভি কাউকোরান্তা জানান, ৮২টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে করিম খানকে গুরুতর অসদাচরণ ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগে পদচ্যুত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন করিম খান। ভোটের পর তার আইনজীবী তাইয়াব আলী জানান, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের বৈধতা ও ন্যায্যতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাবেন তার মক্কেল।
করিম খানকে সরিয়ে দেওয়ার পরই আইসিসিতে নতুন প্রসিকিউটর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের অধ্যাপক লায়লা সাদাতের মতে, সংকট ও বিতর্কের মধ্যে থাকা একজন কর্মকর্তাকে অপসারণের ক্ষেত্রে আদালতের সদস্যরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে আইসিসি তার চলমান মামলাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে পারবে।