মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন ও ইসরায়েলি কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়, গত সপ্তাহে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় এই বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
এক মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের ধারণা, সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং নতুন সংঘাতের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানান যে সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতি স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় বাহিনী পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি ভাবা উচিত।
তবে অ্যাক্সিওসের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একাধিক সূত্র ভিন্ন অবস্থান জানিয়েছে। তাদের দাবি, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তারা অবগত নয় এবং এ তথ্য তাদের কাছেও অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়েছে।
আইডিএফ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানায়, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ইসরায়েলের সামরিক অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি এবং নিকট ভবিষ্যতেও তেমন কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।
এদিকে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওয়াশিংটন সফরের পরিকল্পনা করছেন নেতানিয়াহু। যদিও সম্ভাব্য এই সফর বা বৈঠক নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেয়নি হোয়াইট হাউস কিংবা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।