রোববার (১০ মে) দেওয়া এক বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, সংলাপে অংশ নেওয়ার অর্থ এই নয় যে তেহরান নিজের অবস্থান থেকে সরে আসবে। বরং দেশের স্বার্থ ও জনগণের অধিকার সুরক্ষিত রাখাই এসব আলোচনার মূল লক্ষ্য।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত ওই বক্তব্যে তিনি আরও জানান, ইরান সবসময় নিজেদের নীতিগত অবস্থানে অটল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠন নিয়ে আয়োজিত এক টাস্কফোর্স বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। পরে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলেও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।
পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। তবে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আলোচনা চললেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকতে চায় তেহরান।