বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সিরিয়ার পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানান, “সিরিয়ার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পুনর্গঠনে সহায়ক যে কোনো বিনিয়োগ বা সম্পৃক্ততা আমরা স্বাগত জানাই।”
২০২০ সালে কার্যকর হওয়া সিজার আইন ছিল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের সরকার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠোর মার্কিন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ। এর আওতায় আসাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, সরকারি সংস্থা, এমনকি বিদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়।
চলতি বছরের মে মাসে সৌদি আরবের উদ্যোগে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার মধ্যে আলোচনায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ঐকমত্য গঠিত হয়। বৈঠকে ট্রাম্প জানান, “সিরিয়ার জনগণের মানবিক সঙ্কট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।”
তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে এখনো মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।