সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গারিবাবাদি বলেন, "হরমুজ প্রণালি বাইরের শক্তিগুলোর সামরিক শক্তি প্রদর্শনের জায়গা নয়।"
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব উপকূলবর্তী দেশগুলোর। দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে ইরান এ জলপথে যেকোনো বিদেশি সামরিক তৎপরতার বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, "যারা এ অঞ্চলে সংকট সৃষ্টি করবে, তাদের সেই সিদ্ধান্তের পরিণতির দায়ও বহন করতে হবে। এটি একটি গুরুতর সতর্কবার্তা।"
গারিবাবাদির এ মন্তব্য এসেছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ঘোষণার পর। দুই দেশ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে তারা বহুজাতিক সামরিক মিশনে অংশ নিতে প্রস্তুত। পাশাপাশি ওমানের জলসীমায় নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে দেশটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথাও জানিয়েছে তারা।
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে রপ্তানি হওয়া বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পৌঁছে। ফলে এ অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।