নির্বাচন ঘিরে কেউ সন্ত্রাসের পথ নিলে তার উপযুক্ত জবাব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে প্রশাসনকে জানাতে তিনি উপস্থিতদের পরামর্শ দেন।
রোববার দুপুরে শেরপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শ্রীবরদী উপজেলার জামায়াত সেক্রেটারি রেজাউল হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এমন রাজনীতি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে মায়েদের অসম্মান করা হচ্ছে, যা সমাজের জন্য লজ্জাজনক। পরিবারের নারী সদস্যদের সম্মান করতে শিখলে সমাজের সব নারীকেই সম্মান করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। যারা নারীদের অসম্মান করে, তাদের আচরণকে অমানবিক আখ্যা দেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে কোনো পক্ষ সন্ত্রাস সৃষ্টি করলে জনগণকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তবে আগে প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে, প্রশাসন ব্যর্থ হলে আত্মরক্ষার দায়িত্ব জনগণের ওপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যুবসমাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তরুণদের হাতে তুলে দিতে চান তারা। বৈষম্য, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন।
নিজের হ্যাক হওয়া এক্স অ্যাকাউন্ট প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেখানে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছিল। এ ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং সারাদেশকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।