প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্ত ভিত্তি পাবে। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার হোসেন জানতে চান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড—এসব উদ্যোগের আওতায় কতজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, কী পরিমাণ বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি বা অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হলে সরকার কীভাবে তা মোকাবিলা করবে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট বাজেট প্রকাশ করা হচ্ছে না। সরকার ধাপে ধাপে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ২৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে এবং ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীরাও প্রতি মাসে একই পরিমাণ অর্থ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, একসঙ্গে সবার কাছে সুবিধা পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাই প্রতি বছর বাজেট বাড়িয়ে ধীরে ধীরে নতুন উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে করে সময়ের সঙ্গে কর্মসূচির পরিধি বাড়বে।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন,
অতিরিক্ত টাকা ছাপিয়ে নয়, পরিকল্পিতভাবে এই অর্থ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কম থাকবে। তার মতে, এই অর্থ দেশের ভেতরেই খরচ হবে—যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখবে। অনেক ক্ষেত্রে এই অর্থ দিয়ে পরিবারগুলোর শিক্ষা, খাদ্য বা ছোট ব্যবসার মতো প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হবে। এতে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।