গত মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এমবাপ্পে ৫১ মিনিটে ম্যাচের একমাত্র গোল করেন। ডান দিক দিয়ে দারুণ দৌড়ে ঢুকে কাটব্যাক মুভ করার সময় ফাউলের শিকার হন তিনি। সেখান থেকেই আসে পেনাল্টি, আর সেখান থেকেই এমবাপ্পের গোল। গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত শটে বল পাঠান জালে।
এটি ছিল নতুন কোচ জাবি আলোনসোর অধীনে রিয়ালের প্রথম লিগ ম্যাচ। কিংবদন্তি এই সাবেক মিডফিল্ডারের পূর্ণকালীন কোচিং অভিষেক জয় দিয়েই হলো। শুরুতেই মাঠে নামান তিনি দলের তিন নতুন সাইনিং—আলভারো ক্যারেরাস, ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড ও ডিন হুইসেনকে। দ্বিতীয়ার্ধে দর্শকদের করতালিতে বদলি হয়ে নামেন আর্জেন্টাইন কিশোর প্রতিভা ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়ানো। শেষ মুহূর্তে গোলের সুযোগ পেলেও ওসাসুনার গোলরক্ষক তার শট আটকে দেন।
ইনজুরি সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ওসাসুনা ডিফেন্ডার আবেল ব্রেতোনেস। এদিকে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসে ছিলেন রদ্রিগো, যা তার সম্ভাব্য ট্রান্সফারের গুঞ্জন আরও বাড়িয়েছে।
পুরো ম্যাচে বল দখলে ছিল রিয়ালের প্রাধান্য। তারা নিয়ন্ত্রণ করেছে ৭০ শতাংশেরও বেশি সময়। তবে ওসাসুনার শক্ত রক্ষণ ভাঙতে প্রথমার্ধে কষ্ট করতে হয়েছে। এমবাপ্পের একটি দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের পেনাল্টিতেই আসে জয়সূচক গোল।
অন্যদিকে, মৌসুমের প্রথম ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা নয়জন নিয়ে খেলা মায়োর্কাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। আতলেতিকো মাদ্রিদ এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে এস্পানিওলের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বসে।
গত মৌসুমে লা লিগার শিরোপা জিতেছিল বার্সেলোনা, আর রানার্স-আপ হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন মৌসুমে এমবাপ্পে ও আলোনসোর যুগলবন্দী রিয়ালকে কতদূর এগিয়ে নিতে পারে, সেটিই এখন সবার কৌতূহল।