সাক্ষাতে দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দুর্যোগকালীন যোগাযোগ সুবিধা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবার প্রসার নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
ড. ইউনূস বলেন, “বর্ষাকালে সবুজ প্রকৃতি ও পানির সৌন্দর্য থাকলেও আমাদের সামনে বন্যা ও জলাবদ্ধতার মতো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় সংযোগের সমস্যা এখনো প্রকট। এই অঞ্চলে স্কুল, শিক্ষক এবং চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে। তাই সরকার ইতোমধ্যে ১০০টি স্কুলে অনলাইন শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে ওই এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারেন।”
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষ যাতে ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস ডিজিটালি সংরক্ষণ করলে তা পরবর্তী চিকিৎসা সহজতর করবে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য এই সেবা অত্যন্ত সহায়ক হবে।”
স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার বাংলাদেশের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন ক্ষমতার প্রশংসা করে বলেন, “আমরা পৃথিবীর প্রায় ১৫০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করছি। কিন্তু বাংলাদেশে যেভাবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা সত্যিই অনুকরণীয়। স্পেসএক্স বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।”
তিনি আরও বলেন, “জনসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আপনার (প্রধান উপদেষ্টা) নেওয়া পদক্ষেপগুলো প্রশংসনীয়। দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা বিকেন্দ্রীকরণ ও শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন স্পেসএক্সের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কনসালটেন্ট রিচার্ড গ্রিফিথস, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার তথ্যপ্রযুক্তি সহকারী ফাইজ আহমাদ তৈয়্যব, বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।