রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী এবং ৫৩ জন চালক ও সহকারীও নিহত হয়েছেন। এছাড়া থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, বাসযাত্রী ২৬, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ২১ এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
এ সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত ও ৪ জন নিখোঁজ হন। ২৩টি রেলপথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৯ জনের, আহত হয়েছেন ৬ জন।
সবচেয়ে বেশি ১৩২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪৭ জন আহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, অতিরিক্ত গতি, যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো, চালকদের অদক্ষতা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা দুর্ঘটনার বড় কারণ। দুর্ঘটনা কমাতে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন সরানো ও জনসচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।