বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, “বিশেষ আদেশ ও গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই সনদ বৈধতা পাবে। এই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে।”
তাহের আরও বলেন, “আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ দিতে পারেন, তবে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তা সম্ভব নয়। অধ্যাদেশ জারি করেও সাংবিধানিক পরিবর্তন আনা যাবে না।”
গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচনের দিন গণভোট করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হবে। দেশের স্বার্থে সামান্য ব্যয় বাড়লেও গণভোট আগে করাই শ্রেয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, “জনগণের চাপে বিএনপি গণভোটে সম্মতি দিলেও তারা এতে একটি জটিল শর্ত যুক্ত করেছে।”
প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, “পুলিশ ও প্রশাসনের প্রায় ৭০ শতাংশ কর্মকর্তা একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি অনুগত। তাদের নিয়েই নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই প্রশাসনে রদবদল জরুরি।”
তবে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, “লটারির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হবে, যাতে যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মকর্তারা নির্বাচিত হতে পারেন।”
এ ছাড়া জামায়াতের কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগও তোলেন তাহের। তিনি বলেন, “নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচিতে হামলার বিষয়টি আমরা প্রধান উপদেষ্টার নজরে এনেছি। এসব হামলা এখনই বন্ধ না হলে নির্বাচনী পরিবেশ সংকটে পড়বে।”