ছবিতে দেখা যায়, ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া টানেল থেকে ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে। বড় ধরনের খননযন্ত্র ব্যবহার করে মাটি ও ধ্বংসস্তূপ তুলে পাশের ট্রাকে নেওয়া হচ্ছে, যা ঘাঁটি পুনরায় চালুর প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়।
এর আগে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই ঘাঁটির প্রবেশমুখ লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস না হলেও সাময়িকভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাসের সংঘর্ষের পরও ইরানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অক্ষত রয়েছে। তবে প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেকগুলো ভূগর্ভেই আটকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘ক্ষেপণাস্ত্র নগরী’ নামে পরিচিত এসব ঘাঁটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগ অপ্রত্যাশিত নয়। একজন গবেষক বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় প্রতিপক্ষ তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের সুযোগ নেয়—এটাই স্বাভাবিক বাস্তবতা।
তার মতে, ইরানের সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবেই এমন ঘাঁটি পরিচালিত হয়। প্রথম আঘাত সামলে দ্রুত ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আবার হামলার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার এই পদ্ধতিকে কার্যকর বলেই মনে করছে তেহরান।