বুধবার (১৩ মে) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সফরকালে তিনি আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
তবে নেতানিয়াহুর এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আমিরাত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কথিত ওই সফরের কোনো সত্যতা নেই। তাদের বক্তব্য, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক সম্পূর্ণ প্রকাশ্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে নয়।
আমিরাত আরও উল্লেখ করেছে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হয়। একই সময়ে বাহরাইন, মরক্কো ও সুদানও এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছিল।
এদিকে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমিরাতকে ঘিরেও উত্তেজনা বাড়িয়েছে ইরান। তেহরানের অভিযোগ, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবুধাবির ঘনিষ্ঠতা তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। যুদ্ধের সময় আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর দাবিও করেছে ইরান।
অন্যদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর আমিরাতে আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করে ইসরায়েল। এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ইসরায়েলি সেনাসদস্যদেরও দেশটিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।