বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজসহ ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল।
সভায় কমিশনের গঠন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়ন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার তথ্য, আলোচনার ভিডিও-অডিও রেকর্ড, ছবি ও লিখিত নথিপত্র সংরক্ষণের ওপর জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “এই নথিগুলো জাতির জন্য অমূল্য সম্পদ। আমরা কোন প্রেক্ষাপটে ও কীভাবে ঐকমত্যে পৌঁছেছি, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জানার অধিকার রয়েছে। প্রতিটি বৈঠকের ছবি, ভিডিও, ও ডকুমেন্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে। টেলিভিশনে প্রচারিত আলোচনা অংশগুলোও খণ্ড আকারে সংরক্ষিত থাকা উচিত।”
ড. ইউনূস আরও বলেন, “এই উপকরণগুলো ভবিষ্যতের ইতিহাস ও রাজনৈতিক গবেষণার জন্য অমূল্য দলিল হয়ে থাকবে। গবেষক, শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজ এগুলো ব্যবহার করতে পারবে। এগুলোই হবে ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণী আলোচনার ভিত্তি।”
অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, “রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি আইন বিশেষজ্ঞ, বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। প্রথম ধাপে বিএনপি-জামায়াতসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট এতে স্বাক্ষর করে। দুই দিন পর গণফোরামও এতে যোগ দেয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ১৫ ফেব্রুয়ারি।