রোববার (১২ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিল এবং আলোচনায় অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে নতুন করে দেওয়া হুমকি ইরানের অবস্থান বদলাতে পারবে না।
গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের পথ বেছে নিলে ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাবে। আর যদি যুক্তির ভিত্তিতে এগিয়ে আসে, তাহলে তাতেও প্রস্তুত রয়েছে তেহরান। তার ভাষায়, প্রয়োজনে ইরান নিজেদের দৃঢ়তা আবারও প্রমাণ করবে।
এর আগে কয়েক সপ্তাহের সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয় এবং পরে ইসলামাবাদ-এ দুই পক্ষের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময়ের আলোচনার পরও তা প্রত্যাশিত ফল আনতে পারেনি।
এদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাক্ষাৎকারে হরমুজ প্রণালি ঘিরে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রয়োজন হলে সেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।