বৈঠকে অংশ নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, “আমরা যে ঐকমত্যে পৌঁছেছিলাম, সেখানে একটি দল হঠাৎ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। আমরা আশা করি তারা দ্রুত অবস্থান পরিষ্কার করবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া গণভোট বা নির্বাচন—কোনোটিই অর্থবহ হবে না। এটি বাস্তবায়নই সময়ের দাবি।”
আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে, কিন্তু জনগণের প্রত্যাশিত জুলাই সনদ এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা চাই নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ কার্যকর হোক।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের আট দলের পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন চলবে। আরপিও সংশোধন করলে তা আমরা প্রত্যাখ্যান করব। বর্তমান কাঠামো অপরিবর্তিত রাখতে হবে।”
তিনি ঘোষণা দেন, আগামী ৬ নভেম্বর সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করতে রাজধানীতে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। মামুনুল হক আশা প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান আসবে এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিতে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর), মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, জামায়াতের এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির মুফতি হারুন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এবং জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।