সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে লংমার্চের কর্মসূচি ও প্রস্তুতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট দূর করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দলীয়করণ বন্ধ করা।
তিনি বলেন, কর্মসূচিকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সংসদের ভেতরে ও বাইরে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের এমপিদের ওপর হামলার অভিযোগও তোলেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে লংমার্চে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে না বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।
তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে কিংবা কোনো গোষ্ঠী হামলা, ভয়ভীতি বা নাশকতার চেষ্টা করলে এর দায় এড়াতে পারবে না সরকার। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সরকারের অবস্থানের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লংমার্চে বাধা সৃষ্টি হলে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে বলেও সতর্ক করেন গোলাম পরওয়ার।
কর্মসূচির সূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা শুরু করবে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। যাত্রাপথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া যাত্রাপথের বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।