পুলিশ জানায়, বিয়ের তারিখ নির্ধারণের একদিন আগে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন বলে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে শুক্রবার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর জিসান দাবি করেন, অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। তবে ঘটনার পরপরই নতুন মোড় নেয় বিষয়টি। এক বিধবা নারী দাউদকান্দি থানায় ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন, যেখানে জিসানকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন জিসান, যার ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
এজাহারে আরও বলা হয়, গর্ভধারণের পর ভুক্তভোগীকে সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান বিয়েতে সম্মত হন এবং একটি তারিখও নির্ধারণ করা হয়।
তবে বিয়ের আগের দিন জিসান আত্মগোপনে যান এবং পরে নিখোঁজের জিডি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আব্দুল বারী বলেন, মামলার তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।