শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। প্রথমার্ধে মার্ক কুকুরেয়ার শট জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। তবে ৩৬ মিনিটে কুকুরেয়ার বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত ফিনিশে স্পেনকে এগিয়ে দেন ওইয়ারসাবাল।
বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৬৬তম মিনিটে আলেক্স বায়েনার ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো।
ম্যাচে আরেকটি কীর্তিও গড়েন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। বিশ্বকাপে টানা ৪৮৬ মিনিট গোল না খেয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে গোলরক্ষকদের দীর্ঘতম ক্লিন শিটের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসেন তিনি।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে আবারও কুকুরেয়ার অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করেন ওইয়ারসাবাল। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার চতুর্থ গোল।
অন্যদিকে, পুরো ম্যাচে অস্ট্রিয়া কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন।
আগামী ৬ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে স্পেন।