তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে যেন তিনি ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে টাকা নিয়েছেন। অথচ বাস্তবে এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন খাতের বিশেষ বরাদ্দ, যা বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, বিশেষ বরাদ্দের অর্থ জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়। এসব অর্থ সরাসরি কাউকে দেওয়া হয় না; বরং সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ই-টেন্ডার ও সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
তিনি দাবি করেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির সভায় সোলার লাইট স্থাপন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র ক্রয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনার সংস্কারসহ একাধিক প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এসব প্রকল্পের অনুমোদিত বরাদ্দকেই ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
রাজস্ব খাত ও বিশেষ বরাদ্দের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজস্ব খাত থেকে কোনো ব্যক্তি বা এলাকার নামে আলাদা করে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগে এই দুই বিষয় একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভিডিও বার্তার শেষাংশে জনগণের প্রতি তথ্য যাচাই করে বিশ্বাস করার আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার অব্যাহত থাকলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।