তিনি লিখেছেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের সময়ে প্রাপ্ত সমবেদনা ও ভালোবাসা আমাদের পরিবারকে গভীরভাবে ছুঁয়েছে। এই তিন দিনের অভিজ্ঞতায় আমরা উপলব্ধি করেছি, মা বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন অর্থ বহন করতেন। অনেকের কাছে তিনি ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক, নিজের বিশ্বাসের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর সাহসের উৎস। এই প্রেরণা শুধু রাজনৈতিক সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অগণিত মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
তারেক রহমান বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকার, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তার উপদেষ্টা পরিষদকে। তাদের দ্রুত সমন্বয় ও দায়িত্ববোধের কারণে স্বল্প সময়ে মর্যাদাপূর্ণ শেষকৃত্যের আয়োজন সম্ভব হয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে প্রাপ্ত সমবেদনা ও সহমর্মিতা, প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অংশীদারদের আন্তরিক উপস্থিতি পরিবারকে অনুপ্রাণিত করেছে। জানাজা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, সমবেদনার চিঠি ও বার্তা, শোক বইয়ে লেখা সংবেদনশীল মন্তব্য, সামাজিক মাধ্যমের অগণিত প্রকাশ — সবই এক অভূতপূর্ব সম্মান ছিল।
তিনি সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিশেষভাবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের গার্ড অব অনার ও শেষ সালামের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের উপস্থিতি মায়ের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
পর্দার আড়ালে নিঃশব্দে দায়িত্ব পালনকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের প্রচেষ্টার কারণে পরিবার ও জাতি মর্যাদার সঙ্গে মায়ের স্মৃতিকে ধারণ করতে পেরেছে।
সবশেষে, তিনি দেশের সাধারণ জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে সমাবেশ করা মানুষদের সম্মিলিত উপস্থিতি তার পরিবারের কাছে গভীর প্রেরণা ও সান্ত্বনার উৎস। এই শোকের সময়ে পাশে থাকা প্রতিটি মানুষের ভালোবাসা ও সংহতি পরিবার ও বিএনপির জন্য শক্তি ও সান্ত্বনার উৎস হিসেবে থাকবে এবং তা ভবিষ্যতের বাংলাদেশে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বহন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।