মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঘোষিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্রে’ ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনাকে উপেক্ষা করায় গভীর হতাশা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ হাবিব প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,
“শাপলা চত্বরে লাখ লাখ গুলি চালানো হয়েছিল; হাজারো আলেম-ওলামা শহীদ হয়েছেন। অথচ এসব ইতিহাস ঘোষণাপত্রে নেই। এটি দুঃখজনক।”
তিনি আরও বলেন,
“অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত না করায় দেশের ৯২ শতাংশ মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত লেগেছে।”
ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত নানা ঘটনা স্থান পেলেও শাপলা চত্বরের বিষয়টি উল্লিখিত হয়নি।
ঘোষণাপত্র পাঠের সময় মঞ্চে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন:
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রমুখ।
ঘোষণাপত্রে ২৮টি দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের নানা পরিকল্পনার উল্লেখ রয়েছে