মঙ্গলবার দুপুরে বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অংশ হিসেবেই এই সফর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, চীন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় বিবেচনায় নিয়ে সফরের চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে যদি কোনো ধরনের ‘পুশইন’ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে বাংলাদেশও যথাযথভাবে জবাব দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নিজের আসন্ন চীন সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই সফর হচ্ছে। সেখানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলাপ হবে, যা প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, আরও অনেক দেশ এ ধরনের চুক্তির পথে রয়েছে। তার দাবি, এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে।