তিনি আরও বলেন, গত এক সপ্তাহের মধ্যে রাজধানীর মিরপুর ও চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন লাগার ঘটনা উদ্বেগজনক। এটি কি আকস্মিক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে নাশকতার কোনো উপাদান রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
জামায়াত আমির মনে করেন, দেশের এমন কৌশলগত স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও নিরাপত্তা ঘাটতির স্পষ্ট প্রমাণ। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় যদি কোনো গাফিলতি, অব্যবস্থাপনা বা নাশকতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তবে এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তিনি আরও আহ্বান জানান, ভবিষ্যতে যেন এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য বিমানবন্দরসহ দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত যাত্রী ও সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ফায়ার ফাইটারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা জীবন ঝুঁকি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
শেষে জামায়াত আমির দোয়া করে বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালা যেন প্রিয় দেশ বাংলাদেশকে সব ধরনের দুর্ঘটনা, বিপর্যয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে হেফাজত করেন। আমিন।