শনিবার (৮ আগস্ট) ইউএইর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে অ্যাডনক জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ঘটনার পর ইউএইর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) পৃথকভাবে হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে। জিসিসির পক্ষ থেকেও হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে।
জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইভি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তার মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার ওপর এমন ঘটনা সরাসরি হুমকি তৈরি করছে এবং এটি মেনে নেওয়া যায় না।
অ্যাডনক জানিয়েছে, শুধু গত কয়েক দিনেই হরমুজ প্রণালিতে তাদের একাধিক জাহাজ হামলার মুখে পড়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি সপ্তাহে তাদের তিনটি জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অ্যাডনকের ১৫টি জাহাজ হামলার মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ঘটনায় একজন ক্রু প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সরকারি ওয়েবসাইট সেপাহ নিউজের দাবি, ইউএইর একটি তেলবাহী জাহাজ হামলার পর আগুনে জ্বলছিল।
হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক হামলার ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ এ ঘটনাকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।