প্রতিবেদনে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের প্ল্যাটফর্ম Truth Social–এ সতর্ক করে জানান, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে না দিলে মার্কিন বিমানবাহিনী ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা চালাবে। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়েই অভিযান শুরু হবে।
এর জবাবে ইরানের সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানায়, বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে একটি বোমা পড়লেও প্রণালী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত পথ খোলা হবে না।
ইরান আরও ঘোষণা দিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র–এর পাশাপাশি ইসরায়েল–এর জ্বালানি, যোগাযোগ ও আইসিটি খাতেও আঘাত হানতে পারে। যেসব প্রতিবেশী দেশ মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনে সহায়তা করছে, তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও সম্ভাব্য লক্ষ্য বলা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান–ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর প্রণালী কার্যত অচল। এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ কমে প্রায় ২০ শতাংশে নেমেছে এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপানসহ ২০টি দেশ যৌথ বিবৃতিতে প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে ইরান তা নাকচ করে নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা বলেছে।