সোমবার (২৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে হামলার তথ্য প্রকাশ করে ইয়েমেনভিত্তিক গোষ্ঠীটি। হুতিদের দাবি, সৌদি জাতীয় শিপিং কোম্পানি বাহরির মালিকানাধীন জাহাজটিতে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
তবে হামলার পর জাহাজটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও বাহরি জানিয়েছে, ‘আমজান’-এর সব ক্রু সদস্য নিরাপদে রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। জাহাজটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানায় কোম্পানিটি।
বাহরির পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্রুদের নিরাপত্তা, সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষা এবং জাহাজটির নিরাপদ ব্যবস্থাপনা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়ানবুর উপকূলের কাছে সৌদি মালিকানাধীন জাহাজটিকে লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়। ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের সৌদি স্বার্থে হামলার ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ এই ঘটনা ঘটল।
সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগর ও এর আশপাশের জলপথে হুতিদের তৎপরতা বেড়েছে। এর আগে ইয়েমেনের একটি বন্দরে হামলার ঘটনায় সাতজন নিহত এবং সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগারে হামলার খবর পাওয়া যায়।
এ ছাড়া বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে একটি কার্গো জাহাজে পরপর দুই দফা হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ওই ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত ও ১০ জন আহত হন।
এ ধরনের হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে লোহিত সাগর ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।