কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, একটি বহুতল আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ভবনের কয়েকটি তলা ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
রাজধানীর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো বলেন, হামলায় ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। শহরের অন্তত ৩৬টি স্থানে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। তার অভিযোগ, বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার পর প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক মিত্রদের প্রতি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। সম্ভাব্য বড় হামলার আশঙ্কায় তিনি বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে আগেই দেশে ফিরেছিলেন।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, বিমানঘাঁটি ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের দাবি, রাতভর শতাধিক ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধের প্রভাব দুই দেশের সীমান্ত ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত হচ্ছে। রাশিয়ার কয়েকটি অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ইউক্রেনের সেই উদ্যোগে এখনো সাড়া দেয়নি মস্কো।