আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, যুদ্ধবিরতি মানে সামরিক প্রস্তুতিতে শৈথিল্য নয়। বরং এই সময়কে কাজে লাগিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা হবে না। বাহিনীর প্রস্তুতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই।
আকরামিনিয়া আরও বলেন, প্রতিপক্ষ যদি কোনো ধরনের ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তার জবাব হবে কঠোর ও নির্ণায়ক।
সাম্প্রতিক সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। সম্ভাব্য নতুন সংকটের আশঙ্কায় ইরান সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক, জ্বালানি ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, ওই হামলাগুলোতে তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষ সামরিক ও কূটনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা