আল জাজিরা ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, প্রস্তাবে ইরানকে প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি স্থগিত, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীর সমর্থন কমানো এবং হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিনিময়ে তেহরানের ওপর পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ওয়াশিংটন।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস–এর তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবটি পাকিস্তান এর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। দেশটির সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান–এর মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছেন। প্রয়োজন হলে সরাসরি আলোচনার আয়োজনেও ইসলামাবাদ প্রস্তুত।
রয়টার্স নিশ্চিত করেছে, একটি পরিকল্পনা তেহরানে পাঠানো হয়েছে, যদিও দুই দেশই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক ছিল এবং জ্বালানি স্থাপনায় হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে তেহরান বলছে, সরাসরি কোনো বৈঠক হয়নি।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর হামলা এবং ইরানের পাল্টা আঘাতে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে। প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবটি কূটনৈতিক পথ খুললেও বাস্তব অগ্রগতি এখনো অনিশ্চিত।