ইরানি ওই কর্মকর্তা জানান, জুনের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আবার আলোচনার কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা এবং চুক্তির বিভিন্ন শর্ত কখন ও কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো কাছাকাছি আসেনি।
জুনে সামরিক সংঘাত বন্ধের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা হয়েছিল। এতে বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার কথা থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি আবার বদলে যায়। ৭ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সমঝোতাকে কার্যত বাতিল বলে ঘোষণা করেন। পরে ইরানও জানায়, চুক্তিটি বর্তমানে কার্যকর নেই।
চুক্তি নিয়ে বিরোধের অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, নৌপথটি স্বাভাবিক রাখার প্রতিশ্রুতি ইরান পূরণ করেনি। তেহরান পাল্টা অভিযোগ করে বলেছে, মার্কিন পক্ষও তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করেনি। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে দেশটি।
এর মধ্যে বুধবার (১২ আগস্ট) ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানকে সমালোচনা করে বলেন, দেশটি শুধু বক্তব্য দেয়, কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
তবে ইরানের নৌপথ পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, হরমুজ এখনো উন্মুক্ত করা হয়নি। তেহরানের শর্তগুলো মেনে না নেওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ চালুর বিষয়ে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও জানানো হয়েছে।