মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণে ফিরে এলে ইরানও দ্রুত একই পথে এগোবে।
জুনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে সংঘাত বন্ধ এবং পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর কথা ছিল। সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ ও জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল ইরানের।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে ছিল নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, তেল রপ্তানিতে সুযোগ দেওয়া এবং যুদ্ধের পর দেশটির পুনর্গঠনে সহযোগিতা করা।
তবে চুক্তিটি বেশিদিন কার্যকর থাকেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতে সাময়িক বিরতি দেখা গেলেও সপ্তাহান্তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আবারও পরস্পরের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এদিকে ইরানের প্রভাবশালী আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ওয়াশিংটনের কাছে আরও কিছু ছাড় দাবি করছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের বিষয় রয়েছে। এসব দাবি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এর আগে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও একই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, সংকট নিরসনের পথ তৈরি করতে হলে আগে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করতে হবে।