সোমবার (২৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, যেকোনো সমঝোতা সফল করতে উভয় পক্ষের প্রতিশ্রুতি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, একটি চুক্তি তখনই কার্যকর হয়, যখন সংশ্লিষ্ট সবাই নিজেদের দায়বদ্ধতা পালন করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি চুক্তির শর্ত মেনে চলে, তবে ইরানও তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অটল থাকবে।
বার্তায় তিনি সরাসরি কোনো মার্কিন নেতার নাম উল্লেখ না করলেও ওয়াশিংটনের উদ্দেশে বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ কিংবা অযৌক্তিক হুমকির মুখে ইরান যুক্তিসঙ্গত ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখবে। তবে দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রয়োজন হলে দৃঢ় ও আপসহীন পদক্ষেপ নিতেও দ্বিধা করবে না।
এমন মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানাপোড়েন পুরোপুরি কাটেনি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা চলছে, তবুও পারস্পরিক আস্থার সংকট এখনো বিদ্যমান।
পর্যবেক্ষকদের মতে, পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে একদিকে আলোচনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত রয়েছে, অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।