রবিবার ইরানের ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেন, ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরোধিতা করলেও এর পেছনে কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দেননি। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান, যেন তারা “আক্রমণাত্মক ও নিষ্ঠুর শত্রুর বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়”।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এমনভাবে সামাল দিতে হবে যাতে ইরানকে আগ্রাসী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা না যায়। তার ভাষায়, ইরান যুদ্ধ চায় না, তারা কেবল আত্মরক্ষার অবস্থানে আছে।
নারী ফুটবল দলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপে ইরানের নারী খেলোয়াড়রা দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে। রাজনৈতিক কারণে দলের দুই সদস্য আলাদা হয়ে গেলেও তারা ফিরে এলে ইরান তাদের স্বাগত জানাবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানে।
পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, ফলে সাময়িকভাবে সংঘাত থেমে যায়। এরই মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পাকিস্তানে আলোচনা হয়েছে এবং ইসলামাবাদে নতুন বৈঠকের প্রস্তুতিও চলছে।