গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর লাগাতার হামলা ও অবরোধের ফলে এক চরম মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে আবাসিক এলাকা, আর খাদ্য ও ওষুধের চরম ঘাটতির কারণে ফিলিস্তিনিদের জীবন এখন এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটেই মঙ্গলবার (২২ জুলাই ) একটি জোরালো বার্তায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন,"যারা গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে নীরব রয়েছে, তারা ইসরায়েলের অপরাধে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করছে।"
তিনি আরও জানান, "আমাদের লক্ষ্য গাজায় ইসরায়েলের নির্মম গণহত্যা বন্ধ করা এবং জরুরি খাদ্য ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।"
বিশ্বজুড়ে যখন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও কিছু রাষ্ট্র ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছে, তখন অনেক বড় শক্তিই এখনও নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এরদোয়ানের এই বক্তব্য মূলত সেই নীরবতা ভেঙে জবাবদিহিতার ডাক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও কার্যত পরিস্থিতির উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। বরং খাদ্য সংকট, পানির ঘাটতি ও নিরাপত্তার অভাবে ফিলিস্তিনিরা দিন কাটাচ্ছেন চরম দুর্ভোগে।
এরদোয়ানের বক্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক অবস্থান নয়—এটি এক ধরনের মানবিক আবেদন, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের নীতিগত ভূমিকা ও দায়িত্ববোধকে সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: Iranpress