বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাকেই বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর পরিকল্পিতভাবে কষ্ট চাপিয়ে দেওয়ার নীতি এখন এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন সেটি ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য।
তিনি আরও বলেন, নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগকে যেভাবে আত্মধার্মিক ভঙ্গিতে তুলে ধরা হচ্ছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এর মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট নীতির অমানবিক দিকই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ইসমাইল বাকেই দাবি করেন, এসব পদক্ষেপ আসলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত অর্থনৈতিক নিপীড়ন ও চাঁদাবাজির শামিল। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু মানবতাবিরোধী অপরাধই নয়, বরং এর সামগ্রিক প্রভাব গণবিধ্বংসী পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।
নিজের পোস্টে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদনের ছবিও যুক্ত করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয়—যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ওই প্রতিবেদনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, এই পদক্ষেপ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার আর্থিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।