ট্রাম্প জানান, অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা যুক্ত ছিল। তবে গ্রেপ্তারের পদ্ধতি কিংবা মাদুরোর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ভেনেজুয়েলা সরকারও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মাদুরোর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বহুদিনের। যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই তার গ্রেপ্তারে তথ্যদাতার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। যদিও মাদুরো বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
এদিকে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। কথিত মাদকবিরোধী অভিযানে বিমান হামলায় বহু মানুষের প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার কারাকাসে মার্কিন হামলার খবরে ল্যাটিন আমেরিকায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো একতরফা সামরিক পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। একই সুরে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরো গ্রেপ্তারের দাবি সত্য হলে পুরো ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও গভীর হতে পারে।