বুধবার (২৪ জুন) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা সফল হয়নি। বরং দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, যা প্রতিপক্ষের প্রত্যাশার বাইরে ছিল।
পেজেশকিয়ানের দাবি, সংঘাতের শুরুতে ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো দ্রুত ভেঙে পড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু দেশের জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থানের কারণে সেই হিসাব বাস্তবায়িত হয়নি।
এদিকে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া সমঝোতার ফলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো সতর্কতা রয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। তবুও চলমান আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে বলে আশা করছেন অনেকেই।
চুক্তির অংশ হিসেবে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের কিছু অর্থ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এসব অর্থ মানবিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে কাজে লাগানো হবে বলে জানা গেছে।