প্রকল্পটি নিয়ে প্রথম থেকেই তর্ক-বিতর্ক ছিল। আপত্তি ওঠায় বিষয়টি আদালত পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর কঠোর নিরাপত্তায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পথ খুলে যায়। হুমায়ুন কবীর বলেন, “এই প্রকল্প কারও বিরুদ্ধে নয়; ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো গড়ে তোলাই মূল উদ্দেশ্য।”
তার দাবি, মসজিদসহ পুরো অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে—যা পুরোপুরি আসবে সাধারণ মানুষের অনুদান থেকে। সরকারি অর্থ গ্রহণ করবেন না বলেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। তিনি আরও জানান, দাতার পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত অনুরোধের কারণে।
২৫ বিঘা জমির ওপর শুধু মসজিদ নয়—একটি আধুনিক ইসলামিক হাসপাতাল, শিক্ষাবিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র, আবাসিক ব্যবস্থা, মুসাফিরখানা এবং ভবিষ্যতে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য একটি ছোট হেলিপ্যাড নির্মাণের পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেন তিনি। স্থানীয়রা পুরো প্রকল্পটিকে ‘ইসলামিক হাব’ হিসেবে দেখছেন।
তবে দলের বাইরে গিয়ে এমন ঘোষণার কারণে হুমায়ুন কবীরকে আগেই বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলেছে দলটিকে এমন মন্তব্য বিশ্লেষকদের।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগহুমায়ুন সংখ্যালঘু আবেগকে ব্যবহার করে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে—তিনি ভুল তথ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন।