মার্কিন প্রশাসনের এ বক্তব্যের মধ্যে ইসরায়েলের কয়েকজন কট্টর ডানপন্থি মন্ত্রী গাজা থেকে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা এটিকে ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসনে উৎসাহ দেওয়া’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন।
এদিকে ২৭ অক্টোবরের ইসরায়েলি নির্বাচন সামনে রেখে ডানপন্থি দলগুলোর প্রচারণায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এআই-নির্মিত ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রচারে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের আক্রমণ করছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণকে প্রচারণার অন্যতম বিষয় করেছেন।
সবচেয়ে বিতর্কিত প্রচারণা চালাচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস ও বন্দিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের দৃশ্য নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি তার একটি এআই-নির্মিত ভিডিও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ার পর সরিয়ে নেওয়া হলেও সেটি এরই মধ্যে লাখ লাখ বার দেখা ও ডাউনলোড হয়ে যায়।
নির্বাচনকে সামনে রেখে কট্টর ডানপন্থি নেতারা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নীতির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এর মধ্যেই গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবও নতুন করে সামনে এসেছে।
সমালোচকদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় জীবনযাত্রার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কেউ উপত্যকা ছেড়ে গেলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে ‘স্বেচ্ছামূলক’ বলা কঠিন। নিরাপত্তা সংকট ও মানবিক দুর্ভোগের কারণে ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চাপ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।