শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) তেহরানে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশীয় জ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতার ওপর নির্ভর করেই ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উৎপাদন এবং আধুনিকায়নের কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এলহামি জানান, সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যুদ্ধ চলাকালীনও নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি ও উন্নয়ন করা হয়েছে। পরে এসব নতুন ব্যবস্থার কিছু যুদ্ধক্ষেত্রেও মোতায়েন করা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান কিংবা ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় ইরান প্রস্তুত রয়েছে। কারণ, দেশের বিরুদ্ধে হুমকি এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ইরানের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এনেছে।
ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই কমান্ডার বলেন, দেশের তরুণ প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম তৈরি করা হচ্ছে।
তার দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের জাতীয় শক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার একটি নতুন চিত্র তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
শত্রুর আগ্রাসন মোকাবিলায় তাদের সাহস ও প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি।