প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট আইনের অনুমোদিত সীমার বাইরে গিয়ে শুল্ক আরোপ করেছেন। যদিও ইতিমধ্যে আদায় হওয়া ১৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ফেরত দেবার প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা আদালত নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেনি।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প জাতীয় জরুরি অবস্থার আইন ব্যবহার করে শুল্ক কার্যকর করেছিলেন, যা আইনের অধীনে বৈধ নয়। বিচারপতি ব্রেট কাভানো সতর্ক করে জানিয়েছেন, রিফান্ড প্রক্রিয়া জটিল হতে পারে, বিশেষ করে যদি ব্যবসাগুলো ইতিমধ্যে শুল্কের অতিরিক্ত খরচ ভোক্তাদের ওপর স্থানান্তর করে থাকে।
গত বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প প্রশাসন ১৮০টির বেশি দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছিল। হার কমপক্ষে ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রে ৪৯ শতাংশ এবং লাওসের জন্য ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ তখন এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছিলেন। এখন অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীরা বড় অঙ্কের রিফান্ডের আশা করছেন।
ইওয়াই অস্ট্রেলিয়ার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুল্ক অবৈধ ঘোষিত হলে মার্কিন সরকারকে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।
এই রায় আসে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি রাজ্যের যৌথ আইনি লড়াইয়ের পর। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আইনের বাইরে গিয়ে আন্তর্জাতিক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন না এবং এটি ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে গণ্য হবে।