ফাঁস হওয়া ইরানি সামরিক নথির বরাতে বলা হয়, ‘টিইই-০১বি’ নামের স্যাটেলাইটটি চীনা প্রতিষ্ঠান আর্থ আই নির্মাণ ও উৎক্ষেপণ করে।পরে ২০২৪ সালের শেষ দিকে এটি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ইউনিটের নিয়ন্ত্রণে আসে। এই স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর নজরদারি চালানো হয় এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে-পরে সেখান থেকে ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির অংশ হিসেবে বেইজিংভিত্তিক এমপোস্যাটের গ্রাউন্ড স্টেশন ব্যবহারের সুযোগ পায় ইরান, যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্যাটেলাইট ডেটা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে রয়টার্স এই তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি।
হোয়াইট হাউস, সিআইএ, পেন্টাগন কিংবা চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এদিকে, চীনা দূতাবাস অভিযোগটিকে ‘ভিত্তিহীন প্রচার’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের সতর্কবার্তার কথাও আলোচনায় এসেছে, যেখানে তিনি ইরানকে উন্নত প্রতিরক্ষা সহায়তা দিলে চীনের জন্য জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করেছিলেন।
প্রকাশিত তথ্যে আরও বলা হয়, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিসহ জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর স্যাটেলাইটটি নজরদারি চালায়—যে সময়গুলোতেই ওইসব এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।
সূত্র: রয়টার্স