‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ সংগঠনের দাবি, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ত্রাণবাহী জাহাজগুলো আটক করার পর অন্তত ৪৩০ জন কর্মীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এসব জাহাজ গাজার উদ্দেশ্যে মানবিক সহায়তা নিয়ে যাচ্ছিল।
সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, আটক অবস্থায় অন্তত ১৫ জন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, যার মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাবার বুলেট, টেজার ও শারীরিক আঘাতে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন এবং কয়েকজনকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।
আয়োজকদের টেলিগ্রাম বার্তায় বলা হয়, অনেককে দীর্ঘ সময় আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে ইতালীয় অর্থনীতিবিদ লুকা পোগি জানান, আটক অবস্থায় তাদের বিবস্ত্র করে মারধর করা হয় এবং টেজার দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, কিছু বন্দি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দেখেছেন বা শুনেছেন।
এই ঘটনার পর ইতালির প্রসিকিউটররা অপহরণ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার অভিযোগে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।