ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্যমতে, জানাজা ও স্মরণানুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তেহরানের ইসলামি প্রচার সমন্বয় পরিষদের প্রধান মহসেন মাহমুদি জানান, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে ছিলেন। ওই হামলায় তার ছেলে ও উত্তরসূরি মুজতাবা খামেনিও আহত হন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এরপর থেকে তাকে খুব কমই জনসমক্ষে দেখা গেছে।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজন কয়েক দফা পিছিয়ে যায়। এপ্রিল মাসে তেহরানে সীমিত পরিসরে একটি স্মরণসভা হলেও পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান তখন সম্ভব হয়নি।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা হলে এতে বিপুল মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে এপ্রিল থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল থাকলেও ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনার স্থায়ী সমাধান এখনো হয়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল