এর মধ্যে কাতার-এ অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোরে কাতার কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির প্রধান গ্যাস অবকাঠামোয় আঘাত হানায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে কুয়েত-এর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানায়, কুয়েত সিটি থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত মিনা আল-আহমাদি শোধনাগার-এর একটি ইউনিটে ড্রোন আঘাত করলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগার-ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিরোধ করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে হাবশান গ্যাস স্থাপনা ও বাব তেলক্ষেত্র এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
এদিকে সৌদি আরব-এও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা হয়েছে। সৌদি আরামকো-এর একটি শোধনাগার লক্ষ্য করে ড্রোন আঘাত হানে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইয়ানবু বন্দর এলাকার সামরেফ শোধনাগার প্রাঙ্গণে ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
সূত্র: আল জাজিরা